ভাদ্রমাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথীতে
দ্বাদশীর চাঁদ
ওহে কেন মোর ভাঙ্গা ঘরের বেড়ার ফাঁকে আসো না।
শীতের হিমেল হাওয়ায় মৌন জড়তায় ঝরা পল্লবের
মত
ওহে হৃদয়ে কেন জড়াও তোমার শুষ্ক শীতল বেদনা।
কৈশরে যে ছিল বুকের বা পাশ খানি, ফাল্গুনী-
আমার সাথে দুরন্ত ভাবে মিশতে নিষেধ করেছিল
কেন তোমার বয়োজ্ষ্ঠ্যে কাকা, আমি বুঝিনী।
অষ্টাদশের কৌতুহলে হে হৃদয় রাগিনী হৈমন্তি
শুক্লা
অজানা অভিমানে হারিয়েছ তুমি,কোথায়-কখন-কবে
আমায় করে শূণ্য, বড় একলা।
বাইশের যৌবন নবান্নে যখন এ যৌবন গোলা রসে
ভরপুর
তখন হঠাৎ কেন চৈত্রের দাবদাহ, কষ্টের দুপুর।
হে যৌবনা কাকুলি, তুমি তো কৃষ্ণ মেঘের উষ্ণ বিজলি।
তবে কেন শীতল নীরে নামিয়ে ছিলে আমায়-
আমি বুঝিনী, বুঝিনী তোমার রহস্যময় হেঁয়ালী।
অজান্তে মন সন্ধিঃক্ষনে স্নিগ্ধ প্রাতে শিউলী তলে
হে মালিনী অরুনা
কিছু ভুলে দুই জন দুই কূলে তবু পায়নি তোমার
করুনা।
বাস্তবতায় কেঁদে ফিরি করে অশ্র“বিসর্জন
আজও আমি শুধু একা আর নারী-
তোমার রহস্য অন্বেষন ॥
No comments:
Post a Comment