রাত্রি গভীর নক্ষত্র শোভিত হেমন্তের নিস্তব্ধ মধ্যরাত।
শীতল লোকালয়ের পাশে কুল কুল ছন্দে প্রবাহিত নদী
যৌবন পিয়াসে মন উদাসে ছুটেছে নিরবধী।
ধন্যি ঘরের অষ্টাদশী বিধবা বাসন্তি নিত্য আসে এ ঘাটে।
অর্ধ জোঁয়ারে পূর্ণ যৌবনা খেলা করে চুপিসারে
শীতের মাঝে কোকিল ডাকে তবু ফাগুন ডাকে না তারে।
পূর্ণিমা চাঁদের শুভ্র জোঁছনা বাসন্তির কোমল অধর ছুঁয়ে
আড়মোড়া দিয়ে জেগে ওঠে তবু কামনা যায় নুয়ে।
কিসের যাতনা মধ্যরাতে ঘর হতে বাইরে আনে
চৈত্র কি তার উষ্ণ সহনে নামে কি জলের গহীনে।
কোমরে তার পূর্ণ কলস তবু তৃষ্ণা নয়ন মাঝে
কলঙ্ক ভয়ে জোঁয়ারে ডোবে নিত্য সকাল-সাঁঝে
জোঁড়া পাঁয়রার মধুর মিলন, কষ্ট হোক সংসারেÑ
আলো-আঁধারে যাচিত ক্ষনে স্বপ্ন দেখে ফিরে।
বাসন্তি কেন একা কেঁদে যাবে তার বয়স বসন্ত কালে
স্বপ্ন নৌকার লাল শাড়ির পাল তার ছিঁড়বে কেন তিলে।
বিয়ে কি তার স্বাধীনতা হরণ যাতনার মায়াজাল
কামনার আগুনে আঁচল মুখে গোপনে কাঁদিবেÑ
অ-প্রাপ্তির চিরকাল ॥
No comments:
Post a Comment