বয়ঃসন্ধির গোধূলী লগ্ন শেষে
যৌবনের দুরন্ত দুর্বার উষা লগ্ন এল
একদা বসন্তে, ঝিরিঝিরি
সমীরে
হিয়া বাতায়ন খুলে।
পঁড়শী মোহিনী আজ যৌবনা হল
মধ্য রাতে নাভী কমলে
সদ্য ব্যাথার জোঁয়ারে ভেসে।
বক্ষ মাঝে মাংস পিন্ড যুগল
উথিত হল ধীরে
কিশোরী নয়নে আজ কামনার আগুন
আসিছে ফিরে ফিরে।
ইশারায় তারে ডাক দিয়েছি
বোঝাতে মনের ব্যাথা
কাছে এসে ঘুরে ফিরে যায়
ফোটে না মুখের কথা।
সদ্য স্ফুটিত দুটি ফুলে
হল তৃষ্ণিত আবেগের প্রেম
এল নির্জন মোহিত সন্ধ্যা
মুখোমুখি পিপাসিত জোড়া আঁখি
আর গভীর নিঃশ্বাসের শব্দ।
অবাক আমি হঠাৎ তুমিই বললে
এভাবে নয়-
এক হাত মিশিয়ে পিঠের কাছে
অন্য হাতটি
চুলের এলো বেণীর মুঠি ধরে
চোখ রেখে পলকহীন রক্তিম চোখে
নাকের পাশে নাক মিলিয়ে
আমার উথিত নরম বক্ষে
চাপিয়ে দাও শক্ত প্রশস্ত বুক
দমের সাথে দম
ঠোঁটের ভাঁজে ঠোঁট লুকিয়ে
যদি পাও স্বর্গ সুখ
বুঝে নিও, তবেই
হল
