হে ধূসর আবছা আলোর বঙ্গনারী
তুমি কে?
যাকে জনম জনম ধরে এই রূপসি বাংলার
শ্যামল প্রান্তরে-
অনন্ত কাল খুঁজে ফিরি লুকিয়ে লুকিয়ে
আবহমান বাংলার প্রতিটি নীড়ে।
যাকে কল্পনায় নয়ন ভরে দেখি
বাস্তবে হয় না স্পর্শতা
প্রভাতে সোনালি সূর্যের তপ্ত রৌদ্রে
সবুজ ঘাসের উপরে যার শিশর কোমল
স্নিগ্ধতা।
হয়তো তুমি মিশে আছ
নদীর প্রবাহমান তরঙ্গের প্রতিটা ভাঁজে
হয়তো বা স্বর্গীয় উর্বশীর ন্যায়
শঙ্খ ধ্বনি দাও নিত্য সকাল সাঁঝে।
হয়তো তুমি মিশে আছ
আঁধার রাতের বি¯তৃত নিরাবতায়
চর্তুদ্বশীর পূর্ণচাঁদে বদন খানি
আলোকিত হয় জোঁছনায়।
হয়তো তুমি পশ্চিম আকাশে এক গুচ্ছ কালো মেঘ
অথবা দক্ষিনা সমীরে দুলিত কাননের পাহাড়ি বুনো ফুল
যার মধূ সৌরভে হৃদয় বিমোহিত
সদ্য ফুটিত সিঁদূর বর্ণে মিঠা আম্র মুকুল।
হয়তো তুমি মিশে আছ
এই পোড়া মাটির অঙ্গে
প্রতিটি কোষে প্রতিটি রক্ত কণায়
হয়তো হৃদয় বাঁধনের সঙ্গে।
তুমি সেই স্বপ্ন ললনা, তোমাকে
যাবে না ভোলা
ওগো কাঁজল চোখের গোধূলী রূপসি, ঊষার উদিতে
বহু জন্মের পরেও তোমায় চাইব
আমার কোমল হৃদয়ে বাঁধিতে ॥